সকালের অ্যালার্ম বাজার পর ঘুম থেকে উঠে অফিসের জন্য রেডি হওয়া যেন এক অলিম্পিক দৌড়! এর মধ্যে আবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আধা ঘণ্টা ধরে স্কিনকেয়ার ও মেকআপ করার সময় কই? কিন্তু ব্যস্ত সকাল মানেই যে মলিন মুখে অফিসে যেতে হবে, তা কিন্তু নয়। মাত্র ১০ মিনিটের একটি স্মার্ট রুটিনেই আপনি পেতে পারেন সারাদিনের সতেজ ও পারফেক্ট গ্লো।
১. ৩-ইন-১ বেস কম্বো: সানস্ক্রিন + স্কিন টিন্ট + কনসিলার
সকালে আলাদা করে ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন আর হেভি ফাউন্ডেশন লাগানোর একদম প্রয়োজন নেই। সময় বাঁচাতে এই টেকনিকগুলো ফলো করুন:
· টিন্টেড সানস্ক্রিন (Tinted Sunscreen): এমন একটি ব্রড-স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন বেছে নিন যাতে হালকা টিন্ট বা কভারেজ আছে। এটি সান প্রোটেকশন দেওয়ার পাশাপাশি ত্বকের আনইভেন স্কিনটোন ঢেকে দিবে।
· স্পট কনসিলিং: পুরো মুখে ফাউন্ডেশন না লাগিয়ে শুধু চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল বা ব্রনের দাগের ওপর সামান্য কনসিলার দিয়ে আঙুল বা স্পঞ্জ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
২. ব্যাগে রাখার মতো ৩টি ইমার্জেন্সি বিউটি এসেনশিয়ালস
যানজটে বসে বা অফিসে পৌঁছে টাচ-আপ করার জন্য ব্যাগে সবসময় ৩টি জিনিস রাখা জরুরি:
· ১. লিপ অ্যান্ড চিক টিন্ট (Lip & Cheek Tint): একটি প্রোডাক্ট দিয়েই ঠোঁটে কালার এবং গালে হালকা ব্লাশের টাচ দেওয়া যায়। এতে নিমেষেই চেহারায় ফ্রেশনেস চলে আসে।
· ২. কম্প্যাক্ট বা সেটিং পাউডার: টি-জোন (কপাল ও নাক) এলাকার অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে এবং মেকআপ সেট রাখতে এটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
· ৩. সানস্ক্রিন স্টিক (Sunscreen Stick): মেকআপের ওপর হাত না লাগিয়েই সানস্ক্রিন রি-এপ্লাই করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সান স্টিক।
৩. সুইফট সফট গ্ল্যাম হ্যাকস (Swift Soft Glam)
· ব্রো সেটিং (Eyebrows): আইব্রো পেনসিল দিয়ে পুরো ভুরু না এঁকে শুধু ক্লিয়ার আইব্রো জেল দিয়ে ভুরু আঁচড়ে নিন। এতে ইন্সট্যান্ট একটা লিফটেড ও প্রফেশনাল লুক পাওয়া যায়।
· মাসকারা অ্যান্ড কাজল: চোখের ওয়াটারলাইনে হালকা কাজল আর ল্যাশে এক কোট মাসকারা দিলেই চোখ দুটো বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে।







